ফতুল্লায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের পর আটক সাবেক যুবদল ও ছাত্রদল নেতাসহ সাতজন মুচলেকায় ছাড়া পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন, ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাত নয়টার কিছু পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
এর আগে ফতুল্লার সেহাচর এলাকায় দুপুরে সংঘর্ষের পর আটক হন কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান দোলনসহ আটজন।
তাদের মধ্যে একজন ছাড়া বাকিদের উভয়পক্ষের মুচলেকায় ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানান ওসি আব্দুল মান্নান।
ওসি বলেন, “আটকের পর জুয়েল নামে একজনের কাছ থেকে হেরোইন পাওয়া যায়। তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদক আইনে মামলা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।”
এর আগে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী জানান, বেলা এগারোটার দিকে ফতুল্লা থানা তাঁতীদলের সভাপতি ইউনুস মাস্টারের বাড়িতে হামলা চালায় কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীন ও তার লোকজন।
পরে এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ঘের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আটক ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান দোলন থানা থেকে ছাড়া পেয়ে জানান, আমি মারামারির বিষয়ে কিছুই জানতাম না। মারামারির সময় আমি ঘটনাস্থলের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। পরিচিত একজনকে দেখে জানতে চেয়েছিলাম কেন কি নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটলো। এরমধ্যেই সেনাবাহিনীর ভুল বুঝে ঘটনাস্থল থেকে আমাকে ধরে নিয়ে আসে। যাচাই-বাছাই করে পুলিশ ঘটনার সাথে আমার সম্পৃক্ততা না পেয়ে রাতে আমাকে ছেড়ে দেয়। আমি শুধু এতটুকুই বলবো, আমি ষড়যন্ত্রের শিকার।