ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বিপ্লব বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী জাতীয় নির্বাচন হবে। আমাদের ফতুল্লা অঞ্চলে জোটগত কারণে ধানের শীষের মার্কা নাই। জমিয়ত নেতা মুফতি কাসেমীকে এখানে বিএনপি জোট থেকে মনোনীত করেছে। ওনার জন্য আমরা দোয়া করি। পাশাপাশি ওনার প্রতি আমাদের বিএনপির নির্যাতিত নেতাকর্মীদের একটা ক্ষোভ আছে। ফতুল্লা এলাকাতে আমাদের রাজনৈতিকভাবে গ্রুপিং আছে। আমাদের ধারণা ছিল জমিয়তের প্রার্থী মনির হোসেন কাসেমী সাহেব সকলকে নিয়ে কাজ করে গ্রুপিং দূর করবেন। কিন্তু দুঃখনজক বিষয় হলো, ওনি আরেকটা গ্রুপের সাথে গিয়ে মিশেছে। তিনি ঐক্যের ডাক না দিয়ে তথাকথিত একটি গ্রুপের সাথে মিশে গেছে।
ফেরদাউসের রহমানের সমালোচনা করে বিপ্লব বলেন, ‘কাসেমী সাহেবের সাথে একজন ভদ্রলোক থাকে যিনি ইমাম সমাজের কাছে বিতর্কিত। আলেম সমাজের মধ্যে বাজে একজন তিনি। এই লোক নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনেও মনোনয়ন চেয়েছিল। সেখানে তিনি ব্যর্থ হয়ে সেখানেই ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার কথা। কিন্তু তিনি সেটা না হয়ে ফতুল্লায় এসে আমাদের বিএনপির নির্যাতিত নেতাকর্মীদের ধমকের সুরে কথা বলে। আমি কাসেমী সাহেবকে বলবো এই ভেজাইল্লা ওলামাকে তাড়িয়ে দেন। বিতর্কিত লোক দিয়ে যদি ভোট চান কাসেমী সাহেবকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করবো। সে শামীম ওসমানের দোসর ছিল। আওয়ামী লীগের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করেছে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার(১৩ জানুয়ারী) ফতুল্লায় শীতবস্ত্র বিতরণের সময়ে সাইফুল ইসলাম বিপ্লব এসব কথা বলেন।